ভারতের এপিজে কালাম মুসলিম ছিলো না, মূর্তি পুজারি ছিলো
ডেস্ক: ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট ড. আবুল পাকির জয়নুল-আবেদিন আব্দুল কালাম (ড. এ পি জে আব্দুল কালাম) মুসলিম ছিলো না বলে দাবি করেছে তামিলনাড়ু তৌহিদ জামাত নামে একটি সংগঠন। বীণা বাজানো অবস্থায় কালামের মূর্তির সামনে হিন্দু ধর্মগ্রন্থ ‘গীতা’ রাখা নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে বিতর্কের মধ্যে সংগঠনটি ওই দাবি জানিয়েছে।
তামিলনাড়ু তৌহিদ জামাতের নেতা জৈনুল আবেদিনের দাবি, তার নাম আব্দুল কালাম হতে পারে কিন্তু সে মুসলিম ছিলো না। সে মূর্তি পুজা করেছে। এর পাশপাশি সে গুরুদেরও পুজা করেছে সেজন্য কালাম মুসলিম ছিলো না।
তামিলনাড়ুর রামেশ্বরমে কালামের ভাস্কর্যে হাতে বীণা এবং তার পাশে হিন্দু ধর্মগ্রন্থ গীতা রাখা নিয়ে সম্প্রতি বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
গত ২৭ জুলাই ড.কালামের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রামেশ্বরমে তার পৈতৃক গ্রাম পেইকারাম্বুতে কালাম মেমোরিয়ালের উদ্বোধন করে। সেখানে কালামের ওই ভাস্কর্য রাখা হয়েছে।
ভাস্কর্য্য নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে মূর্তির পাশে গীতার পাশপাশি পবিত্র কুরআন শরীফ ও বাইবেলও রাখা হয়। এরপরেই ‘তামিলনাড়ু তৌহিদ জামাত’ নামে মুসলিম সংগঠনটির পক্ষ থেকে কালামের ভাস্কর্যের পাশে গীতা রাখাই সঠিক এবং সেখানে কুরআন শরীফ রাখা উচিত নয় বলে মন্তব্য করা হয়েছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশ, তৌহিদ জামাতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, দেশের প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে কালাম তেমন পরিচিত ছিলো না। বিজেপি নেতারা ও সংঘ পরিবার ছিল তার পছন্দের। তাদের দেখে মূর্তি পুজায় কালাম আগ্রহী হয়। শুধু তাই নয়, হিন্দুদের বিবস্ত্র সাধু-সন্ন্যাসীদের ওপরও তার বেশ আস্থা ছিল। সে জন্যই বিজেপি তাকে প্রেসিডেন্টের আসনে বসিয়েছিল।’