বঙ্গোপসাগর থেকে টেকসই সমুদ্র অর্থনীতির সুফল পাওয়া যাবে
ঢাকা: বঙ্গোপসাগর থেকে পুরোপুরি অর্থনৈতিক সুবিধা অর্জন করতে হলে বাংলাদেশসহ বঙ্গোপসাগর-কেন্দ্রিক সকল সদস্য দেশসমূহের মধ্যে আঞ্চলিক যোগাযোগ এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠ সংযোগ গড়ে তুলতে হবে। বঙ্গোপসাগর বিমসটেক সদস্য দেশসমূহকে আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং যোগাযোগ বৃদ্ধিতে উদ্বুদ্ধ করে টেকসই সমুদ্র অর্থনীতি নিশ্চিত করতে পারে।
রোববার সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘ব্লু-ইকোনমি : বাংলাদেশ এবং বে অব বেঙ্গল রিজিওনাল কো-অপারেশন’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। আমেরিকান সেন্টারের সহযোগিতায় কোস্ট ট্রাস্ট সেমিনারের আয়োজন করে।
মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেছে, বঙ্গোপসাগরে মৎস্য সংরক্ষণে টেকসই ব্যবস্থা এবং মৎস্য আহরণ বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ইলিশ উৎপাদনে এর সুফল আমরা পেতে শুরু করেছি।
সভাপতির বক্তব্যে ডা. দীপু মনি বলেন, সমুদ্র হচ্ছে আঞ্চলিক যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পর্যটন শিল্পের এক অপার সম্ভাবনার ক্ষেত্র। বর্তমান সরকার তার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছে।
শ্রীলংকার হাইকমিশনার ইয়াসুজা গুনাসেকারা জানান, তার সরকারের অগ্রাধিকার বিষয় হচ্ছে ব্লু-ইকোনমি এবং সে ক্ষেত্রে আঞ্চলিক সহযোগিতা ক্ষেত্রসমূহ খুঁজে দেখা হচ্ছে।
আমেরিকার এমবাসির রেক্স মেজার বলেছে, বিমসটেক অঞ্চলে জনগণের মধ্যে যোগযোগ বৃদ্ধি করার ক্ষেত্রে আমেরিকান এলামুনিদের এই উদ্যোগটি প্রশংসনীয়।
বিমসটেক মহাসচিব সুমতি নাখান্দালা বলেছে, বে অব বেঙ্গল দেশসমূহের মধ্যে আঞ্চলিক সহযোগিতার বিষয়টি নতুন নয়। এ অঞ্চলের ক্ষেত্রে ১৪টি সহযোগিতার বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এগুলো কার্যকর করতে পারলে সমুদ্র অর্থনীতির চেহারা পরিবর্তন হয়ে যাবে।
প্রব›দ্ধ উপস্থাপনে অধ্যাপক শাহাদাৎ বলেন, ভবিষ্যত অর্থনীতির চালিকাশক্তি হতে পারে ব্লু-ইকোনোমি। তবে পাশর্^বর্তী দেশসমূহের তুলনায় বাংলাদেশের এ ক্ষেত্রে সক্ষমতার ঘাটতি রয়েছে। অধ্যাপক লইলুফার বলেন, একবিংশ শতাব্দি হচ্ছে আঞ্চলিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্র এবং আমাদের জ্ঞান ও অর্থনীতি পূর্বীয়করণের বিষয়। বিমসটেককে এ ক্ষেত্রে কাজে লাগানোর অপূর্ব সুযোগ রয়েছে।