পুরনো স্মার্টফোনের কিছু স্মার্ট ব্যবহার

প্রতিবছর হাজার হাজার পুরনো স্মার্টফোন ফেলে দেওয়া হয়। হাজার হাজার নতুন ফোন তৈরি করে নির্মাতারা। কাজেই কয়েক বছর পর এগুলোই বাতিলের খাতায় চলে যায়। আপনার ঘরেও হয়তো দুই-একটি পুরনো ফোন রয়েছে যা কোনো কাজে লাগে না। আপনি চাইলেই বাতিল স্মার্টফোনটাকে নানা কাজে লাগাতে পারেন। এর সম্পর্কে পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
১.  বাচ্চাকে দিয়ে দিন
এখন ছোটদের হাতেও একটা মোবাইল দিতে হয়। কিন্তু নতুন কিনে না দিয়ে আপনার পুরনোটি দিয়ে দিন। ওটা আর ফেলে রাখার প্রয়োজন হবে না।
২. গাড়ির জিপিএস
নতুন কোনো স্থান বা পুরনো, জিপিএস ডিভাইস হিসাবে এটাকে ব্যবহার করতে পারেন। গাড়ির মধ্যে লাগিয়ে রাখুন। ফোনে হেয়ার ইউগো বা গুগল ম্যাপস এর মতো একটা অ্যাপ ইনস্টল করতে হবে।
৩. ডিজিটাল ফটো ফ্রেম
এমন কোনো বাড়ি নেই যেখানে ছবি বাঁধাই করে রাখা হয় না। পুরনো বাতিল স্মার্টফোনটাকে ডিজিটাল ফটো ফ্রেম বানিয়ে ফেলা যায়। চার্জে লাগিয়ে  যতো ছবি স্লাইড ভিউ দিয়ে রাখুন। একের পর এক ছবি পর্দায় ভেসে উঠবে।
৪. মিডিয়া সার্ভার
আপনার যত মাল্টিমিডিয়া কনটেন্ট রয়েছে তা পুরনো যন্ত্রে সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন।অডিও, ভিডিও বা অন্যান্য তথ্য রেখে দিন। ফোন ফেলে না দিয়ে এটাকে মেমোরি কার্ড হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।
৫. ইউনিভার্সের রিমোট কন্ট্রোলার
আধুনিক সব ইলেকট্রনিক্স পণ্য নিজের রিমোট কন্ট্রোল যন্ত্রসহ আসে। স্মার্ট যন্ত্রগুলোতে ইউনিভার্সেল রিমোট কন্ট্রোলার সিস্টেম থাকে। যদি আপনার স্মার্টফোনে আইআর ব্লাস্টার থাকে, তবে এটাকে রিমোট কন্ট্রোল হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। এসির রিমোট হিসাবে স্মার্টফোনটি ব্যবহার করুন।
৬. ডেডিকেটে মিডিয়া প্লেয়ার
শুধুমাত্র হামদ, নাত, কাসিদাহ শোনার  জন্য এটাকে ব্যবহার করতে পারেন।
৭. ওয়্যারলেস হটস্পট
বর্তমান ফোনটিতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে আগের ফোনটিকে ওয়্যারলেস হটস্পট হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন। যখন নিজের ফোনে ডেটা থাকবে না, তখন ওটাকেই ভরসা করতে অসুবিধা কী?

আপনার মতামত