গত অর্থবছরে ৩৪২৫৭.১৮ মিলিয়ন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানী হয়েছে : বাণিজ্যমন্ত্রী
ঢাকা: বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ৩৪ হাজার ২৫৭ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ইউএস ডলার মূল্যের বাংলাদেশী পণ্য বিদেশে রফতানী করা হয়েছে। তিনি গতকাল সংসদে সরকারি দলের সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান। মন্ত্রী বলেন, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের জুলাই-এপ্রিল সময়ে নীট, ওভেন পোশাক, পাদুকা, টুপি, সিরামিক পণ্য, ওষুধ, প্লাস্টিক পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, পাটজাত পণ্য ও হোম টেক্সাইল পণ্য সামগ্রী আফ্রিকা মহাদেশের ৪৫ দেশে রফতানী করা হচ্ছে।
সরকারি দলের সদস্য মামুনুর রশীদ কিরনের অপর এক প্রশ্নের বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ৪ বছরে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন রফতানী উন্নয়ন ব্যুরোর মাধ্যমে মোট ১১৮টি আন্তর্জাতিক মেলায় বাংলাদেশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছে। তিনি বলেন, এ সব মেলায় অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে ১ হাজার ১২০ দশমিক ১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানী আদেশ পাওয়া গেছে।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি সবচেয়ে বেশি:
চলতি অর্থবছরে (২০১৬-১৭) বিশ্বের ৭১টি দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘাটতি চীনের সঙ্গে। এর পরিমাণ ছয় হাজার ৮৮১ দশমিক ৪৭ মিলিয়ন ডলার। এরপরই রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে। তাদের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ তিন হাজার ৯৯৮ দশমিক ১৬ মিলিয়ন ডলার। গতকাল জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য পিনু খানের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ এসব তথ্য জানান।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, চলতি অর্থবছরের চীনে ৭৩৬ দশমিক ৯৩ মিলিয়ন ডলার রফতানির বিপরীতে আমদানি হয়েছে সাত হাজার ৬১৮ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলার। ভারত থেকে ৫২২ দশমিক ৮৪ মিলিয়ন ডলার রফতানির বিপরীতে আমদানি হয়েছে চার হাজার ৫২১ মিলিয়ন ডলার। এম আবদুল লতিফের প্রশ্নের জবাবে তোফায়েল আহমেদ বলেন, চলতি অর্থবছরে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ৬ হাজার ৬২৫ দশমিক ৯৮ মিলিয়ন ডলার।