আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা: মসলার দাম বৃদ্ধি
আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কুরবানির ঈদ। এই ঈদে মসলার ব্যাপক চাহিদা। এই উপলক্ষে মসলার দাম বাড়িয়ে দেয় এক শ্রেণির ব্যবসায়ীরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ঈদ উপলক্ষে বেড়েছে মসলার দাম।
গতকাল (২৩ আগস্ট) রাজধানীর কাওরান বাজারে গিয়ে দেখা যায়, জিরা, এলাচি, দারুচিনি, লবঙ্গ এর দাম বেড়েছে। গত ১ মাস আগে জিরা প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা থাকলেও বর্তমানে দাম বেড়ে হয়েছে ৩৭০ টাকা। এলাচির দাম গুণাগুণ অনুযায়ী কেজি প্রতি ১২শ থেকে ১৩০০ টাকা থাকলেও এখন দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকা। কেজিতে ২০ টাকা বেড়ে দারুচিনির দাম এখন ৩০০ টাকা। এছাড়া, লবঙ্গ আগে ৯৫০ টাকা থাকলেও বর্তমানে দাম বেড়ে হয়েছে ৯৭০ থেকে ৯৮০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, কুরবানির ঈদে জবাই করা গরু, ছাগলের মাংস রান্না করতে বিভিন্ন রকমের মসলা লাগে। তাই ঈদ আসলেই মসলার চাহিদা যায়। চাহিদা বাড়লে দামও একটু বেড়ে যায়। তাই এবারও মসলার দাম বেড়েছে।
তবে প্রতিবছরের তুলনায় এবার তুলনামূলক কম দাম বেড়েছে বলে দাবি ব্যবসায়ীদের। তাদের দাবি, প্রতিবার যে হারে দাম বাড়ে এবার সে হারে বাড়েনি। সরবরাহ থাকায় এবার কিছুটা কম বেড়েছে।
কাওরান বাজারে ফরিদপুর স্টোরের পাইকারি ব্যবসায়ী নুরুল হক বলেন, ‘ঈদ উপলক্ষে এবার মসলার দাম তেমন বাড়েনি। আমরা সামান্য লাভে খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করি। আর খুচরা ব্যবসায়ীরা ১০ থেকে ২০টাকা লাভে বিক্রি করে।’
উপহার স্টোরের সত্ত্বাধিকারী ও খুচরা বিক্রেতা বাবুল হোসেন বলেন, ‘দাম কিছুটা বেড়েছে। আসলে কুরবানি আসলে কিছুটা তো বাড়বেই। তবে তুলনামূলকভাবে বেশি বাড়েনি।’
ঈদের আগে দাম আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই বলে জানান এই খুচরা বিক্রেতা। বলেন, ‘একবার আমরা মাল (মসলা)আনলে চলে যায় ১৫ দিন। তাই এটা দিয়েই চলবে। দাম আর বাড়ার সম্ভাবনা নাই।’
রাজধানী জেনারেল স্টোরের সত্ত্বাধিকারী দেলোয়ার বলেন, ‘কয়েকটা আইটেমের দাম বেড়েছে। এছাড়া কমেছেও কিছু মসলার দাম। বাকিগুলো আগের দামেই আছে।’
ফরিদগঞ্জ বানিয়াতি স্টোরের ম্যানেজার মনিরুল বলেন, ‘জিরা আর এলাচির দামটা বেড়েছে। রোজার ভেতর ইন্ডিয়ান জিরা ছিল ৩৫০ টাকা কেজি। এখন ৩৭০ টাকা কেজি। এলাচি কেজি প্রতি ১ থেকে ১৫০ টাকা বেড়েছে।’