রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বৈধতা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করা রিটের শুনানি হয়নি আজ

ঢাকা: আজ ১৯ মার্চ (২০১৭) ছিলো সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অন্তর্ভুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল শুনানির জন্য আদালত কর্তৃক ধার্যকৃত দিন। তবে অজ্ঞাতকারণে শুনানিটি আজ বিচারকার্য তালিকায় ছিলো না, বিধায় এ বিষয়ে কোন শুনানি হয়নি। তবে পরবর্তীতে আবার কবে রিট শুনানির তারিখ হতে পারে এ বিষয়েও রিটকারীর পক্ষ থেকে বা তৃতীয় কোন পক্ষ থেকে মেনশন করা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, যে কোন দিন বিচার কার্যতালিকায় শুনানিটি আসতে পারে। এজন্য প্রতিদিনের কজলিস্টের দিকে নজর রাখতে হবে। অনলাইনে কজলিস্ট পাওয়া যাবে সুপ্রীম কোর্টের ওয়েব সাইট www.supremecourt.gov.bd তে।

২০১৬ সালের ১৬ নভেম্বর (বুধবার) সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আবেদন শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করে সেটি পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠান।

রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেছিলেন আইনজীবী সমরেন্দ্র নাথ গোস্বামী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মুরাদ রেজা।

উল্রেখ্য, ১৯৮৮ সালের ৫ জুন চতুর্থ জাতীয় সংসদে অষ্টম সংশোধনী পাস হয়। ওই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে অন্তর্ভুক্ত করে সরকার। এর মাধ্যমে সংবিধানে অনুচ্ছেদ ২-এর সঙ্গে ২(ক) দফা যুক্ত হয়।

এতে বলা হয়, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হবে ইসলাম, তবে অন্যান্য ধর্মও প্রজাতন্ত্রে শান্তিতে পালন করা যাবে’।

২০১১ সালের ২৫ জুন পঞ্চদশ সংশোধনীতে ওই অনুচ্ছেদ আবারও সংশোধন করা হয়। সেখানে বলা হয়, ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানসহ অন্যান্য ধর্মপালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করবে।’

বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে ২০১৫ সালের ১ আগস্ট সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সমরেন্দ্র নাথ গোস্বামী এই রিট আবেদন করে। ওই বছরের ৭ সেপ্টেম্বর বিচারক মো. এমদাদুল হক ও বিচারক  মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চ আবেদনটি খারিজ করে দেন। গত ৬ নভেম্বর খারিজের রায়টির পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়।

আপনার মতামত