হিন্দুত্ববাদে অনুপ্রাণিত হওয়ার শিক্ষানীতি বাতিলের দাবি ওলামালীগের

নিউজ নাইন২৪, ঢাকা: বাংলাদেশে ৯৮ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের ধর্মীয় অনুভুতিতে আঘাত সম্বলিত পাঠ্যপুস্তক এবং মুসলমান শিক্ষার্থীদের হিন্দুধর্ম নীতিতে বিশ্বাসী ও শ্রদ্ধাশীল করে তোলা এবং হিন্দু আচারে অনুপ্রাণিত হওয়ার জন্য ষড়যন্ত্রমূলক পাঠ্যক্রম বন্ধের জন্য তথা শিক্ষানীতি-২০১০ ও শিক্ষা আইন-২০১৬ অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশে আওয়ামী ওলামালীগ ও সমমনা ১৩টি দল।

শনিবার সকাল ১০ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক বিশাল মানববন্ধনে তাঁরা এ দাবি জানান।

শিক্ষানীতি বিষয়ে বক্তারা বলেন, সরকারকে সহযোগীতা ও সংশোধনের লক্ষ্যে ওলামা লীগই প্রথম পাঠ্যপুস্তকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের দৃষ্টিতে কি কি কুফরী কথা আছে এবং ইসলাম বিরোধী শব্দ ও রচনা আছে তার গবেষণালব্ধ তথ্য প্রকাশ করেছে। শিক্ষানীতি ও আইন সম্পর্কে ওলামা লীগের আবেদন গ্রহণ করলে তা জামাতী-হেফাজতী ইস্যূ পূরণ হবেনা। বরং তা হবে ওলামা লীগ তথা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানের আবেদন।

শিক্ষামন্ত্রী প্রসঙ্গে ওলামা লীগ বলেন, ধুরন্ধর বামপন্থী নাহিদ তার সারাজীবনের বামচিন্তা তথা ইসলাম বিদ্বেষী চিন্তা ও আদর্শ আওয়ামী লীগের উপর ভর করে পূরণ করে নিয়েছে। অথচ আওয়ামী লীগের ব্যানার ছাড়া ও নৌকা মার্কা ছাড়া একটা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের জনপ্রিয়তাও তার নেই। কাজেই আমরা আবারো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলছি, জোটের উপর যেমন জামাত তেমনি আওয়ামী লীগের কাঁধে ইনু-মেনন-নাহিদ-বাদল জোট। এদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সাবধান না হলে তা হবে আত্মঘাতী।

তবে এক্ষেত্রে আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, শিক্ষানীতি ও শিক্ষা আইনের বিরোধীতা নিয়ে আমরা কোন ধর্মব্যবসায়ী দলকে রাজনীতি করতে দিবনা এবং এ নিয়ে যাতে জামাত জোট তথা ধর্মব্যবসায়ী দল রাজনীতি করতে না পারে সে জন্যই আমরাই প্রথম সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ করেছিলাম।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আবেদন রেখে বক্তারা বলেন, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বলবো, ওলামা লীগের আবেদন আপনি এখনই আমলে নিন। তাহলে এটা নিয়ে কেউ রাজনীতি করতে পারবেনা। পাশাপাশি শিক্ষামন্ত্রীকে বলবো- আপনি ২০১০ সালে বলেছিলেন শিক্ষানীতি কোন বেদবাক্য নয় যে তা পরিবর্তন করা যাবেনা। কিন্তু আমাদের প্রবল আপত্তি সত্ত্বেও বারবার বলার পরও তা পরিবর্তন করছেন না। অর্থাৎ আপনি জামাত-জোটকে শিক্ষানীতি নিয়ে আন্দোলন করার সুযোগ দিয়ে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে সমাজতন্ত্র কায়েমের নেপথ্য কুশীলব হিসেবে কাজ করছেন। কিন্তু ওলামা লীগ এ ষড়যন্ত্র শক্ত হস্তে নস্যাত করবে। ইনশাল্লাহ!

বর্তমান শিক্ষানীতি বাতিলের দাবি ছাড়াও ওলামা লীগ মানববন্ধনে আরো ৪টি দাবি উত্থাপন করেন। দাবিগুলো হলো-

১.       আইএসের নামে উদ্দেশ্যমূলক অপপ্রচারণা এবং বাংলাদেশের আভ্যন্তরীন বিষয়ে অযাচিত মন্তব্য ও হস্তক্ষেপের জন্য আমেরিকা, ইংল্যান্ডসহ আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রী মহলের প্রতি কঠোর নিন্দাবাদ এবং প্রতিহতের ঘোষণা। পাশাপাশি এদেশে যারা আইএস অস্তিত্বের প্রচারণা তথা ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত তাদেরকে অবিলম্বে গ্রেফতার করা ও রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার আওতায় আনার দাবি।

২.       মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তনয় ও তথ্য প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের হত্যা চক্রান্তে জড়িত শফিক রেহমানের ফাঁসির দাবি

৩.      সজীব ওয়াজেদ জয়ের হত্যা চক্রান্ত সমর্থনকারী ইসলাম বিদ্বেষী নাস্তিক্যবাদের পৃষ্ঠপোষক ইমরান সরকারের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি

৪.      আসন্ন পবিত্র শবেবরাত উপলক্ষে ৩ দিন ছুটি প্রদান এবং মিডিয়ায় পবিত্র শবেবরাত বিরোধী পদক্ষেপ কঠোরভাবে বন্ধ এবং শবেবরাত বিরোধীদের রাষ্ট্রদ্রোহী মামলায় গ্রেফতারের দাবি।

সন্ত্রাসী আইএস-এর অজুহাতে আমেরিকা বাংলাদেশে ঢুকতে চায় উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, আইএস সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানের বাহানায় ইরাক, সিরিয়া দখল করে পর্যায়ক্রমে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোকে গ্রাস করার ধারাবাহিকতায় এখন বাংলাদেশে আইএসে’র ধোয়া তুলেছে পশ্চিমা আগ্রাসীরা। অথচ ওদের দেশে হত্যা, গুম বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি। কিন্তু ইহুদী নিয়ন্ত্রিত মিডিয়া তা প্রকাশ করেনা।

তাছাড়া গত ৫ অক্টোবর কূটনৈতিক প্রতিবেদকদের সংগঠন ডিক্যাবের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেছে “বাংলাদেশে আইএস-এর উত্থান ঠেকাতে যা দরকার তা আমাদের আছে।” এসব বক্তব্যের দ্বারা সুস্পষ্ট যে, আইএস এর অজুহাতে আমেরিকা বাংলাদেশে ঢুকতে চায়। বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করতে চায়। আইএস এর নামে বাংলাদেশে ঢুকার পথ সুগম করতে এবং দেশের ভাবমূর্তিকে ম্লান করার জন্যই আর্ন্তজাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে দেশে সুপরিকল্পিতভাবে দেশী-বিদেশী নাগরিকদের হত্যা করা হচ্ছে। সাথে সাথে আইএস-এর মুখপত্র ইহুদীবাদী ‘সাইট ইন্টেলিজেন্স’ ওয়েব সাইটের মাধ্যমে এদেশে সন্ত্রাসী হত্যাকান্ডের দায় স্বীকার করানো হচ্ছে। এসবই এদেশ ও বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র।

বক্তারা বলেন, যে আমেরিকা বাংলাদেশে আইএস আছে বলে প্রচার করছে তাদের বিরুদ্ধেই সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ‘আইএস’ তৈরীর অভিযোগ রয়েছে। ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, তাজিকিস্তানের সাপ্তাহিক ‘ফার্জ’, বার্তা সংস্থা আইআরআইবিসহ বিভিন্ন আর্ন্তজাতিক মিডিয়ায় সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ‘আইএস’ তৈরীর পেছনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা ফাঁস হয়েছে।

বক্তারা বলেন, ‘আইএস’ মার্কিনীদের তৈরী প্রসঙ্গে ওয়াশিংটনভিত্তিক ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক মাইক হুইটনি বলেছে, “আইএস দমনের নামে মধ্যপ্রাচ্যে নৈরাজ্য সৃষ্টি, বিদ্যমান সীমান্ত নিশ্চিহ্ন করা ও ক্রীড়নক সরকার বসাতে ওবামা প্রশাসন তৎপর। আরেকটি রক্তক্ষয়ী আগ্রাসনের পথ সুগম করতেই মূলত পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের সহযোগীরা আইএসকে সৃষ্টি করেছে।” তাছাড়া বিশ্লেষক প্যাট্রিক মার্টিনের ভাষ্য, “আইএস হলো মধ্য এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপের অজুহাত।”

বক্তারা বলেন, আইএস’র সংশ্লিষ্টতা নিয়ে আমেরিকা চাচ্ছে বাংলাদেশকে স্বীকার করতে বাধ্য করা যে, বাংলাদেশ নিরাপত্তা বিষয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ, এই ঝুঁকি সৃষ্টি করছে আইএস এবং এই জঙ্গিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ ও জঙ্গিদের দমনের কাজে আমেরিকার সাহায্য গ্রহণ দরকার। বাংলাদেশে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতি দরকার।

বক্তারা বলেন, আইএস দমন তাদের আসল লক্ষ্য নয়। আসল লক্ষ্য এই জঙ্গি দমনে সাহায্য দেয়ার নামে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ এবং দেশটির বর্তমান স্বাভাবিক অবস্থাকে অস্বাভাবিক করে তোলা। যেখানে আমেরিকা, সিরিয়া ও ইরাকে টন টন বোমা ফেলে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেও আইএস দমন করতে পারেনি, সেখানে বাংলাদেশে তারা কিভাবে আইএস সন্ত্রাসী দমন করবে? আর যেখানে আইএস সন্ত্রাসী নেই বলে বাংলাদেশের প্রশাসন নিশ্চিত, সেখানে বাংলাদেশে আইএস’র আবিষ্কার দ্বারা পশ্চিমা ক্রুসেডার বাহিনীর উদ্দেশ্য যে বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সরকারকে বেকায়দায় ফেলে আগ্রাসন চালানোর ক্ষেত্র তৈরী করা, তা সহজেই অনুমেয়। আইএস সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযানের বাহানায় ইরাক, সিরিয়া দখল করে পর্যায়ক্রমে মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোকে গ্রাস করার ধারাবাহিকতায় এখন বাংলাদেশে আইএসে’র ধোয়া তুলেছে পশ্চিমা আগ্রাসীরা।

ইমরান এইচ সরকারের গ্রেফতারের দাবি জানান ওলামালীগ নেতৃবৃন্দ। জয় হত্যা সম্পর্কে শফিক রেহমানের অভিযোগকে বায়বীয় বলে রাজাকার পরিবারের ছেলে প্রাক্তন শিবির নেতা এইচ. ইমরান রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ করেছে। দুর্নীতিবাজ, চরিত্রহীন ইমরান, সরকার বিরোধী দেশী বিদেশী এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।

ওলামা লীগের জন্ম হয়েছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর হাতে ১৯৬৯ সালে। ওলামা লীগ মহাজোট সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পালনে সহযোগীতা করতে বিশেষ নিবেদিত। পাশাপাশি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ইসলামী আঙ্গিকে নিজেদের কুরবান করে এতদ্বপ্রেক্ষিতে ওলামা লীগ গভীর মর্মপীড়ার ও উদ্বেগের সাথে লক্ষ করে যাচ্ছে যে, আওয়ামী লীগের কাঁধ থেকে মোশতাকের বংশবদরা এখনও অপসৃত হয়নি। ক্ষমতাসীন সরকারের আশ্রয়-প্রশয়ে এইচ ইমরান সরকার; ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে একের পর এক মহা অসত্য এমনকী রীতিমত ঔদ্ধত্যমূলক বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। পাকিস্তান পেয়ারা খালেদা জিয়ার আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা কুখ্যাত নাস্তিক শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগকে সে কোনো প্রমাণ ছাড়াই বায়বীয় বলেছে। অথচ জয়কে হত্যাচেষ্টা সংক্রান্ত নথিপত্র শফিক রেহমানের বাসা থেকে পুলিশ জব্দ করেছে। এমনকি শফিক রেহমান নিজেও জয়কে হত্যা চেষ্টা ষড়যন্ত্রকারীদের সাথে বৈঠক এবং অর্থ লেনদেনের কথা স্বীকার করেছে।

নির্দিষ্ট ঘটনার প্রেক্ষিতেই শফিক রেহমানকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। কিন্তু এসবকে অস্বীকার করে ইমরান তা বায়বীয় বলে মূলতঃ রাষ্ট্রদ্রোহী কাজ করেছে। যে রাষ্ট্রের পুলিশী ও আইনী প্রক্রিয়াকে তুচ্ছ ও অসত্য বলে অবজ্ঞা ও অস্বীকার করেছে এই ইমরান ‘শেখ হাসিনার সরকার রাজাকারের পাহারা দেয় বলে শ্লোগান দিয়েছে। ড. ইউনুস, মাহমুদুর রহমান, মান্নার ফর্মূলা অনুযায়ী আওয়ামী লীগকে বিরোধীতা করার জন্য আলাদা রাজনৈতিক দল গঠনের ব্যর্থ ষড়যন্ত্র করেছে। তার বিরুদ্ধে পাকিস্তানী আইএসআইয়ের অর্থ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। রানা প্লাজার দুর্যোগ পুঁজি করে টাকা গ্রহণ, এবং মঞ্চের ইমেজকে ব্যবহার করে দেশী-বিদেশী সংস্থার থেকে বিপুল অর্থ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। এমনকী তার ঘনিষ্ঠজনেরা বলেছে টাকার বিনিময়ে সে বিদেশী এজেন্ডাও বাস্তবায়ন করেছে। গণজাগরণ মঞ্চের নির্দিষ্ট ৬ দফার বিরুদ্ধে অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ে তার বক্তব্য দেয়ার উদ্দেশ্য কী? তা এখন ওপেন সিক্রেট।

আমরা বলতে চাই- ইমরান খুনী মোশতাকের বংশবদ। আওয়ামী সরকারের চুড়ান্ত সুবিধা নিয়ে যে আওয়ামী লীগের গোড়া কাটতে ব্যস্ত। সচেতন মহল জানেন যে, ইমরান রাজাকার খয়েরউদ্দীনের পরিবারের লোক এবং সে ২০০২ সালে রংপুর মেডিক্যাল কলেজের সক্রিয় শিবিরকর্মী। সরকারকে বেকায়দায় ফেলতেই সে শাহবাগে নাস্তিকদের মিলন মেলা ঘটিয়েছে। সেখানে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে হটিয়ে সব নাস্তিক ঘরানার দল ও ব্যক্তির সমাবেশ ঘটিয়েছে এবং নাস্তিক শফিক রেহমানের পক্ষে সাফাই গেয়েছে।

শফিক রেহমানের ফাঁসি দাবি করে বক্তারা বলেছেন, এদেশে সমকামিতা ও পর্ণো প্রচারণার মাস্টার, কলমবেশ্যা ও জয় হত্যার ষড়যন্ত্রকারী, রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের চরম অবমাননাকারী শফিক রেহমানের ফাঁসি চাই। সে অতীতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে লিখেছে এবং বর্তমানে খালেদার পক্ষে লিখছে। সে এদেশে পর্ণো ম্যাগাজিন মৌচাকে ঢিলের মাধ্যমে এদেশে অবৈধ প্রেম, পরকীয়া, বিবাহ বহির্ভুত যৌন সম্পর্ক এমনকী সমকামিতার পক্ষে ব্যাপক কলম চালিয়েছে। তার পত্রিকা মৌচাকে ঢিল ইতিহাসের নিকৃষ্ট পর্ণো। কারণ এর এক গল্পে দেখানো হয়েছে হোটেলে মায়ের সাথে যৌনক্রিয়া শুরু করেছে ছেলে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! এছাড়া তার সাপ্তাহিক যায়যায়দিন পত্রিকায় পুরুষাঙ্গকে তুলনা করা হয়েছে সম্মানিত আরবী হরফ আলিফ এর সাথে। নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ! নাউযুবিল্লাহ!

অথচ এরকম একটা চরিত্রহীন ও ইসলাম বিদ্বেষী লোক ইসলামের আদর্শ ফেরীকারী জামাত-জোটের উপদেষ্টা। আর আজকে তার মুক্তির জন্য তারা উতলা, দেওয়ানা, মাতোয়ারা। আমরা রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম অবমাননাকারী শফিক রেহমানের ফাঁসী চাই।

কেন্দ্রীয় আওয়ামী ওলামা লীগের এ সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন, হাফেজ মাওলানা মোস্তফা চৌধুরী বাগেরহাটি। প্রধান অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু ল কলেজের প্রিন্সিপাল প্রফেসর আলহাজ্ব এম. এম. আনোয়ার হোসেন। এছাড়া বক্তব্য রাখেন- আলহাজ্জ হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার, সভাপতি- সম্মিলিত ইসলামী গবেষণা পরিষদ, শায়েখ আলহাজ্জ মুফতি মাসুম বিল্লাহ নাফেয়ী, সভাপতি-বঙ্গবন্ধু ওলামা ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন- আলহাজ্জ হাফেজ মাওলানা মুহম্মদ আব্দুস সাত্তার।