‘একটি ফোন কলেই জানা যাবে জাতীয় বাতায়নের তথ্য’

নিউজ নাইন২৪ডটকম, ঢাকা: মোবাইল ফোন থেকে কল করে বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়নের যেকোনো তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন নাগরিকরা। এ জন্য ভয়েজ একসেস তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সচিবালয়ে মঙ্গলবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এটুআই প্রোগ্রাম ও বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর রবির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এটুআই প্রকল্প পরিচালক ও প্র্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক কবির বিন আনোয়ার ও রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মতিউল ইসলাম নওশাদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম ও সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ চুক্তির আলোকে জাতীয় তথ্য বাতায়নের ভয়েজ একসেস বাস্তবায়নের জন্য একটি কল সেন্টার স্থাপন করা হবে। এতে যেকোনো মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ভয়েস কল, এসএমএস, আইভিআর (ইন্টারঅ্যাকটিভ ভয়েস রেসপন্স), সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইমেইল ব্যবহার করে জাতীয় তথ্য বাতায়নের সব তথ্য পাবেন।

এছাড়া নগরকেন্দ্রিক ই-সেবা, মোবাইল অ্যাপস বাস্তবায়ন এবং এসব উদ্যোগ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারে রবি এটুআইকে সহায়তা দেবে বলে জানানো হয়।

এটুআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় তথ্য বাতায়নে ৪০০ সরকারি সেবাপ্রাপ্তির বিস্তারিত বিবরণ ও ১৪০০-এর বেশি সরকারি ফরম রয়েছে।

ভয়েস কলের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ‘চার্জ কাটা হবে’ জানিয়ে রবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘ফ্রি হলে ভালো সেবা হয় না। নরমাল কলের মতো খরচ হবে। পাঁচ ডিজিটের শর্ট কোড থাকবে। সেখানে ফোন করে তথ্য পাওয়া যাবে। শিগগিরই আমরা বিটিআরসির কাছ থেকে এ শর্ট কোডটি পেয়ে যাব। তখন এটি সবাইকে জানানো হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখনো দেশের ৪০ শতাংশ জনগোষ্ঠী ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে বাকি ৬০ শতাংশ জনগণকে কানেক্টিভিটির মধ্যে নিয়ে আসা।’

তিনি জানান, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র থেকে গড়পড়তা ২৫-৩০ ধরনের সেবা দেওয়া হচ্ছে। অনেক জায়গায় ৫০ থেকে ৬০ ধরনের অনলাইন সেবা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এ সব সেবা সহজ করা ও মানুষের কাছে পৌঁছানোর কাজ সরকার একা করতে পারে না। এ জন্য সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে এমওইউ করছি। এর মাধ্যমে সর্বস্তরের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে চাই।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতীয় তথ্য বাতায়নে ২৫ হাজার ওয়েবসাইট যুক্ত রয়েছে, যার মাধ্যমে ৬১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, ৩৫১টি অধিদফতর ও অন্যান্য অফিস, ৮টি বিভাগ, ৬৪টি জেলা, ৪৮৯টি উপজেলা, ৪ হাজার ৫৫০টি ইউনিয়নের সব সরকারি অফিসসহ ৪৩ হাজারেরও বেশি সরকারি অফিসের কার্যক্রমের তথ্য বিস্তারিতভাবে পাওয়া যায়

মোবাইল ফোন থেকে কল করে বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়নের যেকোনো তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন নাগরিকরা। এ জন্য ভয়েজ একসেস তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম।

এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে সচিবালয়ে মঙ্গলবার ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এটুআই প্রোগ্রাম ও বেসরকারি মোবাইল ফোন অপারেটর রবির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে।

এটুআই প্রকল্প পরিচালক ও প্র্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক কবির বিন আনোয়ার ও রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মতিউল ইসলাম নওশাদ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম ও সচিব ফয়জুর রহমান চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ চুক্তির আলোকে জাতীয় তথ্য বাতায়নের ভয়েজ একসেস বাস্তবায়নের জন্য একটি কল সেন্টার স্থাপন করা হবে। এতে যেকোনো মোবাইল ফোন ব্যবহারকারী ভয়েস কল, এসএমএস, আইভিআর (ইন্টারঅ্যাকটিভ ভয়েস রেসপন্স), সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও ইমেইল ব্যবহার করে জাতীয় তথ্য বাতায়নের সব তথ্য পাবেন।

এছাড়া নগরকেন্দ্রিক ই-সেবা, মোবাইল অ্যাপস বাস্তবায়ন এবং এসব উদ্যোগ বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচারে রবি এটুআইকে সহায়তা দেবে বলে জানানো হয়।

এটুআইয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জাতীয় তথ্য বাতায়নে ৪০০ সরকারি সেবাপ্রাপ্তির বিস্তারিত বিবরণ ও ১৪০০-এর বেশি সরকারি ফরম রয়েছে।

ভয়েস কলের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ‘চার্জ কাটা হবে’ জানিয়ে রবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘ফ্রি হলে ভালো সেবা হয় না। নরমাল কলের মতো খরচ হবে। পাঁচ ডিজিটের শর্ট কোড থাকবে। সেখানে ফোন করে তথ্য পাওয়া যাবে। শিগগিরই আমরা বিটিআরসির কাছ থেকে এ শর্ট কোডটি পেয়ে যাব। তখন এটি সবাইকে জানানো হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখনো দেশের ৪০ শতাংশ জনগোষ্ঠী ইন্টারনেট ব্যবহার করে। এ উদ্যোগের লক্ষ্য হচ্ছে বাকি ৬০ শতাংশ জনগণকে কানেক্টিভিটির মধ্যে নিয়ে আসা।’

কবির বিন আনোয়ার বলেন, ‘বাংলালিংক ও টেলিটকের মাধ্যমে আমরা কাজ করছি, রবির সঙ্গে এবার যাত্রা শুরু হলো। আমাদের পলিসি হচ্ছে, আমরা শিকড় থেকে উপরে আসতে চাই। সে জন্য প্রথম উদ্যোগ হিসেবে ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটাল সেন্টার করা হয়েছে।’

তিনি জানান, ইউনিয়ন ডিজিটাল সেবা কেন্দ্র থেকে গড়পড়তা ২৫-৩০ ধরনের সেবা দেওয়া হচ্ছে। অনেক জায়গায় ৫০ থেকে ৬০ ধরনের অনলাইন সেবা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এ সব সেবা সহজ করা ও মানুষের কাছে পৌঁছানোর কাজ সরকার একা করতে পারে না। এ জন্য সরকারি বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) কার্যকর প্রয়োগের মাধ্যমে আমরা মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর সঙ্গে এমওইউ করছি। এর মাধ্যমে সর্বস্তরের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে চাই।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, জাতীয় তথ্য বাতায়নে ২৫ হাজার ওয়েবসাইট যুক্ত রয়েছে, যার মাধ্যমে ৬১টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ, ৩৫১টি অধিদফতর ও অন্যান্য অফিস, ৮টি বিভাগ, ৬৪টি জেলা, ৪৮৯টি উপজেলা, ৪ হাজার ৫৫০টি ইউনিয়নের সব সরকারি অফিসসহ ৪৩ হাজারেরও বেশি সরকারি অফিসের কার্যক্রমের তথ্য বিস্তারিতভাবে পাওয়া যায়।

আপনার মতামত