বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেট নিতে চায় ভুটান
ঢাকা: বাংলাদেশে থেকে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ আমদানিতে আগ্রহ দেখিয়েছে ভূটান।
দেশটি আগামী দুই মাসের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চায় বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
সোমবার বিকেলে ভূটানের ইনফরমেশন ও কমিউনিকেশনস মন্ত্রী ডিএন ডুঙ্গায়েলের সঙ্গে এক বৈঠক শেষে ভূটান থেকে টেলিফোনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ভূটান বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথ নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।’
আগামী দুই মাসের মধ্যে ভূটানের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশে সফরে আসবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই সফরে বাংলাদেশ ও ভূটান ঠিক করবে কি পরিমাণ ব্যান্ডউইডথ রপ্তানি হবে এবং কোন রুট দিয়ে এটি ভূটানে যাবে।’
ভূটান ব্যান্ডউইথ আমদানির নির্দিষ্ট কোনো পরিমাণ জানিয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নে তারানা বলেন, ‘বাংলাদেশে সফরের সময় প্রতিনিধি দল ব্যান্ডউইডথের পরিমাণ ও এর দাম চূড়ান্ত করবে।’
নভেম্বরের মধ্যে এ প্রক্রিয়া চূড়ান্ত হবে বলে আশা করছেন প্রতিমন্ত্রী।
বর্তমানে ২০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথসহ সাবমেরিন কেবলে (সি-মি-ইউ-৪) সংযুক্ত আছে বাংলাদেশ, যার বেশিরভাগই এখনো অব্যবহৃত রয়ে গেছে।
এ বছর ডিসেম্বরে একটি কনসোর্টিয়ামের আওতায় সি-মি-ইউ-৫ বা দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলে সংযুক্ত হবে বাংলাদেশ। এর ফলে অতিরিক্ত ১ হাজার ৩০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ পাবে বাংলাদেশ।
ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেডের (বিএসসিসিএল) মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে ১০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ রপ্তানি হচ্ছে ভারতের ত্রিপুরায়।
১০ জিবিপিএস (গিগাবাইট পার সেকেন্ড) ব্যান্ডউইডথ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লিজে সরবরাহ করায় বাংলাদেশ বছরে বৈদেশিক মুদ্রায় ৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা পাবে (এক দশমিক দুই মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।