কৃষিখাতে বিনিয়োগে জার্মানিকে আহ্বান
নিজস্ব প্রতিবেদক: কৃষিপণ্যের রফতানি বৃদ্ধিতে জার্মানিকে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। তিনি এ ব্যাপারে দেশটিকে সর্বাত্মক সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন। কৃষিমন্ত্রী গত বৃহস্পতিবার ‘বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের রফতানি ও বাণিজ্যের সুযোগ’ শীর্ষক ভার্চুয়াল সম্মেলনে এ আহ্বান জানান। গতকাল শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে এ তথ্য জানিয়েছে।
বাংলাদেশে বিনিয়োগের অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ রয়েছে উল্লেখ করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও জার্মানির মধ্যে চলমান বাণিজ্যিক সম্পর্ককে আরও কার্যকরভাবে বৃদ্ধি করার অনেক সুযোগ ও সম্ভাবনা আছে। বিশেষ করে কৃষিক্ষেত্রে মানসম্পন্ন কৃষিপণ্যের উৎপাদন, এগ্রো-প্রসেসিং, কৃষিযান্ত্রিকীকরণ, ভ্যালু চেইন ও রফতানির জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরিতে জার্মানির বিনিয়োগ ও সহযোগিতার সুযোগ অনেক।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে মানসম্পন্ন আম, আনারস, লিচু, পেয়ারা, কলাসহ অন্যান্য ফলমূল এবং বিভিন্ন ধরনের তাজা শাকসবজি উৎপাদিত হচ্ছে। এসব পণ্যের রফতানি বৃদ্ধিতে জার্মানি কারিগরি সহায়তা, জনবল প্রশিক্ষণ, ল্যাব স্থাপন ও টেস্টিং সুবিধা বাড়ানো, আধুনিক প্যাক হাউস এবং ফুড প্রসেসিংয়ে বিনিয়োগ ও সহযোগিতা করতে পারে।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আন্তর্জাতিক মানদ- মেনে কৃষিপণ্যের রফতানি বাড়াতে বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে গ্যাপ (জিএপি) নীতিমালা অনুমোদন করেছে। এছাড়া সর্বাধুনিক প্যাক হাউজ এবং অ্যাক্রেডিটেশন ল্যাবরেটরি স্থাপনের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। ফলে জার্মানিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে বাংলাদেশের কৃষিপণ্যের রফতানি বহুগুণে বৃদ্ধির সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
এ ভার্চুয়াল সম্মেলনে গ্লোবাল গ্যাপ ও ইউএসএআইডি বাংলাদেশ ৩টি পেপার উপস্থাপন করা হয়। গ্যাপ নীতিমালা মেনে কীভাবে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করা যায় তা তুলে ধরা হয়। এছাড়া জার্মানিসহ অন্যান্য ইইউ দেশগুলিতে রফতানির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদ- অনুযায়ী কৃষিপণ্যের গুণগতমান বজায় রাখা ও স্বীকৃত সার্টিফিকেট গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব প্রদান করা হয়।