বাজারে এসেছে কাঁচা আম, চড়া দাম
নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর বাজারে আসতে শুরু করেছে পুষ্টি ও ভিটামিনে ভরপুর কাঁচা আম। বাজারে নতুন আসা এ মৌসুমী ফলের প্রতি ক্রেতাদের চাহিদাও বেশি। তবে দাম কিছুটা চড়া। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে কাঁচা আমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। তবে মানভেদে কোথাও কোথাও ৫০ টাকা কেজিতেও কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, রাজধানীতে যে কাঁচা আম পাওয়া যাচ্ছে তার সবই ঢাকার বাইরে থেকে আসা। চাষিরা বাড়তি দাম পাওয়ার কারণে পরিবহন বন্ধ থাকার পরও কাঁচা আম বাজারজাত করছেন। তবে বাজারে কাঁচা আমের যে চাহিদা আছে সরবরাহ তার তুলনায় অনেক কম। এ কারণে দাম বাড়তি। তাছাড়া প্রতি বছরই কাঁচা আম বাজারে যখন নতুন আসে তখন দাম একটু চড়াই থাকে।
তারা জানান, এখন যারা কাঁচা আম কিনছেন তাদের বেশিরভাগই ডাল দিয়ে রান্না করে খাওয়ার জন্য নিচ্ছেন। কেউ কেউ কাঁচা আম লবণ দিয়ে মাখিয়ে খাওয়ার জন্যও নিচ্ছেন। কাঁচা আমের শরবতও বেশ ভালো, তাই অনেকে শরবত খাওয়ার জন্যও কাঁচা আম কিনছেন। অন্য সময়ের তুলনায় এখন কাঁচা আমাদের চাহিদা একটু বেশিই।
এদিকে গরমে কাঁচা আম এবং এর শরবত দুটোই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ এবং সি, ক্যালশিয়াম ও লৌহ। এটা ম্যাগনেসিয়ামেরও ভালো উৎস। যা শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে। কাঁচা আম হজমে সাহায্য করে এবং ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে।
রামপুরা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, ভালো মানের কাঁচা আমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। একই দামে কাঁচা আম বিক্রি হতে দেখা যায় খিলগাঁও, মালিবাগের বিভিন্ন বাজারে। তবে কিছুটা নিম্নমানের কাঁচা আম বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি।
রামপুরায় ১০০ টাকা কেজি কাঁচা আম বিক্রি করা এনামুল বলেন, আমাদের এই আম রাজশাহী থেকে আনা। এই আম চাষ করা হয় কাঁচা খাওয়ার জন্য। এটা ঝড়ে পড়া আম না। একদম টাটকা, তাই দাম একটু বেশি। কয়েকদিনের পুরোনো আম কিনলে ৬০ টাকায় পাবেন। তিনি বলেন, এখন যারা কাঁচা আম কিনছেন এদের বেশিরভাগই ডাল দিয়ে রান্না করে খাবেন। কেউ কেউ মাখিয়ে খাওয়ার জন্যও কিনছেন, তবে তার পরিমাণ কম।
খিলগাঁওয়ে কাঁচা আম বিক্রি করা ইদ্রিস বলেন, কাঁচা আম সব থেকে বেশি বিক্রি হয় আচারের জন্য। তবে যে আম দিয়ে আচার হয়, সেই আম এখনো আসা শুরু হয়নি। আচারের আম আরও কিছুদিন পরে আসবে। তখন দামও কম থাকবে।