মাতাল চালক ঠেকাতে দিল্লির রাস্তায় ১৮ হাজার পুলিশ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাতে মাতাল ও বেপরোয়া গাড়ি চালকদের ধরতে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১৮ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে দিল্লি পুলিশ। ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দিল্লি পুলিশের বিশেষ কমিশনার দীপেন্দ্র পাঠক।
শনিবার নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে দীপেন্দ্র জানান, নববর্ষের রাতে মাতাল ও বেপরোয়া গাড়িচালনার কারণে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও নারীদের নিরাপত্তা— এ দু’টি ব্যাপারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে দিল্লি পুলিশ। এ কারণে এই ১৮ হাজার পুলিশ সদস্যের মধ্যে আড়াই হাজারেরও বেশি নারী পুলিশ সদস্য ও কর্মকর্তা রাখা হয়েছে।
‘নয়াদিল্লির ১২৫টিরও বেশি স্পট আমরা চিহ্নিত করেছি। থার্টিফার্স্টের রাতে মদ্যপান করে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর প্রবণতা এই স্পটগুলোতে বেশি। এসব স্পটে রাত ৮টা বাজার পরই তৎপরতা শুরু করবেন পুলিশ সদস্যরা।’
গত বছর নববর্ষের রাতে রাজধানীর সড়কে বেপরোয়া গাড়ি চালানোর জন্য ৬৫৭ জনের নামে মামলা (চালান) দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। তাদের মধ্যে একটি বড় অংশই ছিলেন মদ্যপ।
নয়াদিল্লির সব পুলিশ স্টেশনে গাড়ি চালানো সম্পর্কিত নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে দিল্লি পুলিশের কেন্দ্রীয় দপ্তর থেকে। সেই নির্দেশনায় মদ্যপ গাড়িচালক ও অপ্রাপ্তবয়স্ক গাড়িচালকদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে বলা হয়েছে স্টেশন পুলিশকে।
নয়াদিল্লিতে থার্টিফার্স্ট উদযাপনকারীদের প্রিয় কয়েকটি স্পট হলো নিউ ফ্রেন্ডস কলোনির সুরিয়া হোটেল, লাজপতনগর সেন্ট্রাল মার্কেট, জনকপুরি ডিস্ট্রিক্ট সেন্টার, গ্রেটার কৈলাশ এলাকার এম অ্যান্ড এন ব্লক মার্কেট, লোধি শিল্প এলাকা, কুতুব মিনার, ছত্তরপুর, দ্বারকা এলাকার ভেগাস মল, মুখার্জীনগর, করলবাগ, তিলকনগর, পাতিমপুরা, মডেল টাউন প্রভৃতি।
সংবাদ সম্মেলনে দীপেন্দ্র পাঠক বলেন, ‘থার্টিফার্স্ট উদযাপন ঘিরে যাবতীয় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে দিল্লি পুলিশ প্রস্তুত।’