চুল পড়া কমায় যে খাবারগুলো
চুল পড়া সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে খেতে হবে কিছু পুষ্টিকর খাবার। এতে করে চুলের নানা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায় এবং চুল পড়া একেবারেই কমিয়ে দেয়।
বাদাম: কাঠবাদাম ও আখরোটে রয়েছে আয়রন, জিংক, ভিটামিন এবং প্রোটিন। এইসব উপাদান চুলের জন্য বেশ স্বাস্থ্যকর। নিয়মিত এই বাদাম খেলে মাথার ত্বক মসৃণ হয় এবং সূর্যের আলোর ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

ওটস: ওটামিলে আছে জিঙ্ক, ভিটামিন এবং প্রোটিন। তাই দিনের শুরুতেই এক বাটি ওটামিল খান। এমনকি এটি চুলে ময়েশ্চারাইজার হিসেবেও ব্যবহার করা যায় যা চুলকানি ও রুক্ষতার সমস্যার সমাধানে সাহায্য করে।
প্রশ্ন হল ওটস কি ভাবে খাবেন? ওটস অনেক ভাবেই খাওয়া যায়| এখানে কয়েকটা সিম্পল উপায় দিলাম – ব্রেকফাস্টে ওটস খেতে পারেন দুধ দিয়ে| তার মধ্যে কুচি করে দিন পছন্দ মত ড্রাই ফ্রুট্স| – ব্রেকফাস্টে ওটস টক দৈ দিয়েও খেতে পারেন| সাথে দিন খুব ছোট ছোট কুচি করে আপেল বা খেজুর| পাওয়া গেলে স্ট্রবেরি আর ব্লু বেরি ও। খেয়ে দেখুন‚ দারুণ লাগবে| – মেন মিলে ভাতের বদলে সেদ্ধ করে নিন ওটস| ডাল‚ তরকারি‚ মাছের ঝোলের সঙ্গতে খেয়ে ফেলুন| – বানিয়ে নিতে পারেন ওটসের খিচুড়িও। – স্ন্যাক্স হিসাবে বানাতে পারেন ওটস ইডলি| খান সম্বর আর নারকোলের চাটনি দিয়ে| – বিকেলে চা বা কফির সাথে ওটস বিস্কিট খান|

আখরোট: আখরোট চুলের জন্য একটি ভালো খাবার। এতে আছে চুলকে শক্তিশালী করার উপাদান বায়োটিন। বায়োটিনের অভাবে চুল পড়ে এবং চুলের আগা ফেটে যায়। আখরোট চুল পড়া কমায় এবং চুলের বৃদ্ধি নিশ্চিত করে।

ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল: ভিটামিন সি’র অভাবে চুলের গোঁড়া দুর্বল হয়ে যায়। ফলে চুল ভঙ্গুর, দুর্বল ও চিকন হয়ে যায়। ভিটামিন সি’র অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট উপাদান এই সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে চুলকে স্বাস্থ্যজ্জ্বল করে তোলে। তাই ভিটামিন সি’র চাহিদা পূরণের জন্য দিনের মধ্যভাগের খাবার তালিকায় টকজাতীয় ফল যেমন- স্ট্রবেরি, কমলা লেবু বা পেঁপে এবং পেয়ারা রাখতে পারেন।
ডিম: প্রোটিন ক্ষতিগ্রস্ত চুল সুস্থ করে। ডিম প্রোটিনের ভালো উৎস তাই প্রতিদিনের খাবার তালিকায় ডিম রাখুন। চুল আরও শক্তিশালী করতে সপ্তাহে কমপক্ষে দুইদিন কন্ডিশনার হিসেবে ডিম ব্যবহার করুন।